You are currently viewing পরীমনির অজানা তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে রিমান্ডে

পরীমনির অজানা তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে রিমান্ডে

পরীমনির অজানা তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে রিমান্ডে|

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করায় অপ্রীতিকর ও গুঞ্জন সহ নানান আকর্ষিত তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে পরীমনির অজানা অনেক কিছু।
গ্রেফতারের সময় তার বাসার কেবিনেট আলমারি বাথরুম সহ ফ্লাটের আনাচে কানাচে পাওয়া যায়, প্রচুর পরিমাণে মদ ও মাদক।

পাওয়া যায় ভয়াবাহ মাদক এলএসডি ও ইয়াবা সীসা। so যে মদ পাওয়া যায় সেসব বাংলাদেশে খুব একটা আমদানি হতোনা বা হয়না।
চলচিত্র অভিনেত্রী হলেও তার উত্থান গল্প চলচিত্র ছাড়িয়ে গেছে, but ছোটবেলা থেকে অভিনয়ের প্রতি টান তার
এই টান থাকা টাঙাইল জেলার সাধাসিধা মেয়ে And শামসুন্নাহার ঢাকায় আসে বেশ কয়েক বছর আগে। but

এর আগে টুকটাক মঞ্চ অভিনয় ছাড়া কোনো অভিনয়ের কিছুনা জানা চেহারার মেয়েটা গ্লেমারবডি ফিটনেস আর চেহারা দেখিয়ে ডাক পেয়েযায় অনেক সিনেমার।
প্রথম সিনেমা মুক্তির আগেই চুক্তিবদ্ধ হয়ে যায় অনেক পরিচালকের সাথে but একাধিক নতুন ছবির জন্য, প্রথম বছরের মধ্যে কন্টাক্ট হয় ২০টির বেশি ছবিতে.
যার ফলে অল্প সময়ে পরীমনি নাম ধারন করে তারকা হয়ে and যান কয়েক দিন আগের সাধারন মেয়ে শামসুন্নাহার স্মৃতি।

তারই ধারাবাহিকতায় বেশ অল্প সময়ে হয়ে যান প্রচুর টাকা আর আভিজাত্যের মালিক।so কোটি টাকার ফ্লাট কোটি টাকার so গাড়ি দামি অলঙ্কারসহ সবই আছে তার।
গ্রেফতারের পর রিমান্ডে বেরহয় all আভিজাত্যের মুল গোড়াঘর। but সিনেমার চাইতেনেশা পার্টিসহ পছন্দের আরেকটি কাজছিল প্রভাবশালী

but হাই প্রোফাইল সম্পন্ন ব্যাক্তিদের and people সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়া। so

পার্টি ক্লাব হোটেল ছাড়াও নিজস্ব ফ্লাটেই রয়েছে বিদেশি মদ |

পার্টি ক্লাব হোটেল ছাড়াও নিজস্ব ফ্লাটেই রয়েছে বিদেশি মদ and সিগারেটের সমারোহ।
অভিযান চলাকালে বনানীতে পরীমনির ফ্লাট থেকে উদ্ধার করা হয় ভোদকা জিন টাকিলা হুইস্কি রেড ওয়াইন সহ সীসা ও ইয়াবা সেবনের
সরঞ্জাম so সহ কয়েক রকমের মদ সহ ও ভোদকা জিন, but পরীমনির দেয়া তথ্যমতে ১৬ সাল থেকেই এলকোহলের সাথে সম্পৃক্ত তিনি।
রাজধানির ৫ তারা হোটেলে প্রায়ই দেখা যেতো আলিশান ভঙ্গিতে। হোটেলের পার্টি থেকে মদ্যপ মাতাল অবস্থায় আসতেও দেখা যেতো তাকে। so

চলচিত্র অভিনয় ছাড়াও পরীমনি বাড়তি আয় হিসেবে জড়িয়েপরেন পর্নোগ্রাফি কান্ডে পরীমনির ব্যাংক একাউন্ট গুলিতে রয়েছে বেশভাল আর মোটা অংকেরটাকা।
যা তিনি বিভিন্ন ব্যাক্তিদের সান্নিধ্যে ও ঘনিষ্ঠতার মাধ্যমে পেয়েছেন, তবে পরীমনি একা নয়, গড়ে তুলেছেন একটি চক্র।

নিজ বাসায় গড়া মিনিবারে চলা ডিজে পার্টির নামে। আদক সেবনের আড্ডা চলতো যেখানে উঠতি নায়িকা মডেল রয়েছে। এদের অশ্লীল ফটোগ্রাফি তুলে দেয়া হতো বেশ নামীদামী ব্যাক্তির কাছে। গড়ে ওঠে বেশ বড় ভাবেই and ব্লাকমেইল করার পায়তারা
পার্টি বা আড্ডা বা ব্লাকমেইলের লিস্টে আছে পুলিশ আমলা সহ বড় বড় রাজনৈতিক ব্যাক্তি ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ীদের নামও।
এর মাঝে কেউ পরীমনিকে ঘুরতে নেন উন্নত দেশে বা বিদেশে নামীদামী but কোথাও। উপহার পান মোটা অংকের টাকা।
তবে এসবের গোড়ায় রয়েছে প্রযোজক পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজ। so

রাজএর হাত ধরেই এই চলচিত্রের রঙিনso দুনিয়ায় আসেন পরীমনি এবং পরিচিত হয়ে যান বিশেষ মানুষদের সাথে।
টাকার নেশা মানুষকে কতটা অন্ধকারের রাজত্বে butনামাতে পারে পরীমনি যেনো সে এক উজ্জ্বল উদাহরণ। and
র‍্যাবের দেয়া তথ্য মতে নিষিদ্ধ হওয়া পর্ন ব্যাবসায় পরীমনি সহ অন্তত ১০/১২ জন অভিনেত্রী ও মডেল জড়িত আছে।

Leave a Reply