ডিজেলের দাম বাড়ার পর বাড়লো চালের দাম বন্ধ গণপরিবহন রপ্তানি।

ডিজেলের দাম বাড়ার পর বাড়লো চালের দাম। বন্ধ গণপরিবহন ও পন্য রপ্তানি।

নিত্যদিনকার বাজার সদাইর মুল্য সহ বেড়েই চলেছে প্রতিদিনকার দরকারি পণ্যের দাম। and
এদিকে পণ্যের মূল্যমানের উপর জিম্মি হয়ে পরেছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার গুলি। so
দিনকে দিন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। but
আয় কমে গেলেও ব্যায় হয়ে যাচ্ছে অনেক যার কারন পন্যের মুল্যের চড়া দাম। Because
নিম্নমানের মধ্যবিত্ত সংসারের কেউ আয়ের একাংশ নিয়ে বাজারে গেলে হিমশিম খেতে হয় দাম শুনেই।

so কেউ কেউ আশাবাদী হয়তো আবার দাম কমবে but যে পণ্যের দাম বেড়ে যায়
সেই জিনিসের সুত্র ধরে অন্যান্য পণ্যের দামও বেড়ে হয়ে যায় আকাশচুম্বী যা গরিব অসহায় মানুষদের
জন্য স্বপ্নের বিলাসিতা ছাড়া কিছুই না। so উদাহরণ হিসেবে বলা যায় একদা৪০/৫০ টাকা চালের কেজি এখন ৭০ ছাড়িয়ে গেছে so
রীতিমতো গরিবেরা কেবল বাজারের হাতছানি উপেক্ষা করে বাসায় ফিরতে হয় ফাকা হাতে but
এদের পরিবারেও সদস্য আছেন এরাও বাঁচতে চায় অন্তত দুইটা ডাল ভাত খেয়ে হলেও but ডালের দামও বেড়ে গেছে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত।

দাম বৃদ্ধির বিষয়ে অনেক মানুষই বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নানা ভাবে

দাম বৃদ্ধির বিষয়ে অনেক মানুষই বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নানা ভাবে। and
জনসমাবেশ বিক্ষোভ সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলিতেও ছড়িয়ে পরেছে এই বৃদ্ধি হওয়া পণ্যের উত্তাপ যা কেবল
গরিব বা মধ্যবিত্ত কারো গায়েই লেগে যাবে। এই মানুষ গুলির বেতন মাসে মাসে বা সপ্তাহের মাথায় বৃদ্ধি পায়না but
অপর দিকে দফায় দফায় ভোজ্যতেল সহ দাম বেড়েছে সংশ্লিষ্ট অনেক কিছু। and
পণ্যের দাম বাড়ার ধারাবাহিকতায় কোনো রকম পূর্ব ঘোষনা ছাড়াই ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে ৬৫ টাকা থেকে হয়েছে ৮০ টাকা।

so হটাৎ এমন চরম পর্যায়ের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ স্বরুপ বাস ট্রাক সহ
গণপরিবহন ড্রাইভার হেলপার গন বন্ধ করে দিয়েছেন তাদের পরিবহন গুলি। so
এতে জনদূর্ভোগে পরেছেন সাধারণ মানুষ। Because ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে পাওয়া যাচ্ছেনা
গন্তব্যে যাওয়ার মত গাড়ি বা পরিবহন। so অফিস বা কর্মস্থলে যেতে সাধারণ জনগন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
but বেসরকারি সকল পরিবহন বন্ধ থাকলেও পূর্বের ভাড়া বহাল রেখেই গাড়ি সচল রেখেছে রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন বি আর টি সি। so

গন্তব্যে যাওয়ার পরিবহন বন্ধ থাকায় সিএনজি অটো বা রিক্সা ভ্যানে যেতে হলেও মানুষকে গুনতে হবে ডাবল বা তার বেশি ভাড়া। so
অনেকেরই ভরসা এখন শুধু বি আর টি সি পরিবহনের গাড়ি but
এত স্বল্প গাড়ি এত মানুষের ভীর সামলাতে না পারায় বিআরটিসি বাসে উঠে সিট পাওয়া না গেলেও
অনেকে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন গন্তব্যে। so বয়স্ক বা প্রতিবন্ধী হলে তাদের গাড়িতে উঠা হয়ে যায় বেশ কষ্টদায়ক।

and এই দাম বৃদ্ধির ধাক্কায় রিক্সাওয়ালাও বাড়িয়েছে তাদের ভাড়া Because ডিজেলের দাম বৃদ্ধির সুত্র ধরে বাজারে বেড়েছে চালের দামও। so
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সমুহের দামও ২ টাকা থেকে ৫/১০ টাকা বেড়েছে। so
ডিজেলের দামের প্রভাবে অন্যান্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি হওয়ার ফলে চাপ পরেছে জনগনের উপর যার ফলশ্রুতিতে দাম বেড়েছে জনজীবনের প্রতিটা ধাপে।

অফিস বেতন বাড়ায় না কর্মস্থলে বাড়াচ্ছে না বিনিময় শ্রমিক পাচ্ছেনা বাড়তি মজুরি

অফিস বেতন বাড়ায় না কর্মস্থলে বাড়াচ্ছে না বিনিময় শ্রমিক পাচ্ছেনা বাড়তি মজুরি but
বাড়তি দামের প্রভাবে অতিষ্ঠ হয়ে গেছে মধ্যবিত্ত সংসার চালানো মানুষ। and
বাজারের সাথে সাথে দাম বাড়ানী হয়েছে টিসিবির পণ্য মুশুর ডাল ও সয়াবিন তেলেও so
আয়ের উৎস না বাড়লেও বেড়েছে ব্যায় যার ফলে আর্তনাদ আর আহাজারি করেছে শত শত
নিম্ন আয়ের মানুষ গুলি। but দিশেহারা হয়ে পরছে ক্রেতা সাধারন ব্যাক্তিরা

ডিজেলের দাম বৃদ্ধির সাথে বেড়েছে পরিবহন খরচ and চালের দামের সাথে প্রয়োজনীয়
জিনিসের দামের চাপে কান্নার ভাষাও হারিয়ে গেছে তাদের but এদিকে গ্যাস ও সেচের পানির দাম বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে
রিজভী আহমেদ দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতীর দাম মানুষকে ইলেকট্রিক শকের মত শক করছেন বলেছেন and
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রিজভী আহমেদ দাবী করেছেন সরকারি দলের কতিপয় অসাধু ব্যাক্তি সিন্ডিকেট করার মাধ্যমে দাম বাড়াচ্ছে।

so অন্যদিকে বাস ট্রাক চালক গন ধর্মঘট ডেকেছে তাদের সমস্ত পরিবহন বন্ধ রেখে তারা দাবী তুলেছে
হয় ডিজেলের দাম কমানো নয়তো বাসের ভাড়া বৃদ্ধির কথা বলেছে তারা।

Leave a Reply