You are currently viewing গাজীপুরের এক দলিল লেখকের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে

গাজীপুরের এক দলিল লেখকের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে

গাজীপুরের এক দলিল লেখকের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে

৮ মাস যাবত অন্যান্য বন্ধুদের নিয়ে ধর্ষণ করেছে তারই সহকর্মী। গাজীপুরের কাপাসিয়া এক দলিল লেখকের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে।
দলিল লেখকের কাছে শিক্ষনবীশ because হয়ে আসার কারণে তার বাসায় যাতায়ত করতো লোকটি।
একসময় সুযোগ বুঝে ধর্ষণ করে এবং কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রাখে। because

এ ঘটনায় ধর্ষিতা গৃহবধূ বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।
পরে ধর্ষণের ওই ভিডিও আন্তর্জাতিক কয়েকটি পর্ন সাইটে বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন তারা।

পরবর্তীতে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ and ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিক বার শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করে।
এছাড়া সে and দুজন বন্ধুর সাথেও so অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে। because
এতো কিছুর পরও ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে because ঐই গৃহবধু নিজে মামলা করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলে জানায়।
তবে আসামীরা এলাকা because থেকে পালিয়েছে বলে জানা যায়। so

সহকারী বাড়িতে না থাকায় তার স্ত্রী কে রাসেল জোর পূর্বক ধর্ষণ করে এবং কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রাখেন।
সেই সুবাদে গত বছর ৩ ডিসেম্বর রাতে রাসেল মোল্লা সুযোগ বুঝে ওই সহকারীর বাড়িতে যান। because
পরে ধারণ কৃত ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে অপর দুই বন্ধুর সঙ্গে গৃহবধূ কে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় যৌন মিলনে বাধ্য করেন।

দলিল লেখক মাহফুজুর রহমান রাসেল মোল্লার সঙ্গে তার এক বন্ধু দুই বছর ধরে শিক্ষানবিশ সহকারী হিসেবে কাজ করছেন।
তাদের কথামতো না চললে আসামিরা ফেসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এসব মামলার বিবরণে জানা যায়।

অভিযুক্তরা হলেন- সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মাহফুজুর রহমান রাসেল মোল্লা (৪০),
ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম সবুজ (৩৮) ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক জাকির হোসেন সোহেল (৩৯)।

মামলা দায়ের করার চারদিন পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। because
তবে আসামীর স্বজনরা বিষয়টি উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বানোয়াট মামলা বলে দাবী করছেন।

so এই পদ্ধতিটি পরিচিত অ্যাকোয়াপনিকস হিসেবে, because যেখানে মাটি ছাড়াই সবজি উৎপাদন হয়।

বাংলাদেশ সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস বলছে, অ্যাকোয়াপনিকস হলো মাছ and সবজি চাষের একটি সমন্বিত পদ্ধতি।
আর বাংলাদেশে এ পদ্ধতির অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য চাষ বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক এম এ সালামকে।
তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আরও আগে থেকেই অ্যাকোয়াপনিকস পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।

অধ্যাপক সালাম মনে করেন because যে বাংলাদেশে যেহেতু চাষযোগ্য জমির পরিমান ক্রমশই কমে আসছে,
তাই এ দেশে অ্যাকোয়াপনিকস-এর একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যত রয়েছে মাছ চাষ ও সবজি আবাদের ক্ষেত্রে। and

“যারা ছাদ বাগান করেন বা because অল্প জায়গায় মাছ চাষ বা সবজি আবাদ করেন, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ বিষয়।
একই জায়গায় মাছ ও সবজির ফলন করা সম্ভব এবং তাও একেবারে কম খরচে,” andবিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

অধ্যাপক সালাম সেই ২০১০ সালে নিজের so বাড়ির ছাদে সবজি চাষ শুরু করেছিলেন,because
আর পরে এর সাথে ২০১১ সালে যোগ করেন মাছ। because তবে অ্যাকোয়াপনিকস so পদ্ধতি তাকে যে সাফল্য এনে দিয়েছে,
তা তাকে তাকে কৃষিক্ষেত্রে পদকও এনে দিয়েছে।

সুত্র: বিবিসি বাংলা

Leave a Reply